গলা ব্যাথার ঔষধ এর নাম এবং ঘরোয়া পদ্বতি

Sore throat medicine

গলা ব্যাথার ঔষধ বলতে গেলে বলতে হয় নেপচুন ফার্মাসিক্যালস লিমিটেড উৎপাদিত Sualex নামক এ টেবলেটিরি কথা। খাওয়ার সাথে সাথে তৎক্ষনাত ফলাফল পাওয়া যায় এ ঔষধটি দ্বারা। Sualex ছারাও আরও অনেক ঔষধ আছে যে গুলো ভালোই কাজে আসে।

ডাক্টারি ঔষধ গ্রহণ করা ছারাও আরও অনেক ঘরোয়া গলা ব্যাথার ঔষধ আছে যে গুলো গ্রহণ করার পর ভালোই ফল পাওয়া যায়। আর বেশ খানেক সময় ধরে আরামে থাকা যায়।

গলা ব্যথার কারনের উপর ভিত্তি করে ঔষধ ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। গলা ব্যাথার পেছেনে অনেক কারণ থাকতে পারে আর সে কারণ গুলোর উপর ভিত্তি করে এর চিকিৎসা চিকিৎকেরা দিয়ে থাকে।

তবে সাময়িক আরামের জন্য কিছু নিদিষ্ট ব্যাথ্যা নিরাময়ের ঔষধ গ্রহণ করা যেতে পারে তবে এখানে কথা হচ্ছে সুধু সাময়িক আরামের জন্য আবার এ সমস্যাটি সুরু হয়ে যেতে পারে। আর তাই ভালো হয় যুদি চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে ঔষধ গ্রহণ করে রোগ নির্মুল করে নিলে।

এখানে আমি গলা ব্যাথার কিছু ঔষধ সাথে ঘরোয়া পদ্বতি এবং গলা ব্যাথার সাধারণ কারণ গুলো তুলে ধররো। সুতরাং উপকৃত হতে লেখাটি পড়ুন।

গলা ব্যাথার ঔষধ এর নাম

এখানে আমি কিছু পরিচিত গলা ব্যাথার ঔষধের নাম উল্লেখ করলাম যেগুলো প্রায় বহুদিন ধরে মানুষ ব্যবহার করে আসছে।

পড়ুন ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা এবং নিয়ম

নেপচুন ফার্মাসিক্যালস লিমিটেড উৎপাদিত Sualex

গলা ব্যাথার ঔষধ এর নাম বলতে গেলে সবার আগে বলবো Sualex এর কথা। সুয়ালেক্স আসলেই ভালোই কাজ করে। আপনি ঔষধ গ্রহণের সাথে সাথে ফল পেয়ে যাবেন। তবে তৎক্ষনাত কাজ করা ঔষধ গুলোর একটি সমস্যা থাকে আর সেটি হলো পাশ্বপ্রতিক্রিয়া।

তবে আপনি যুদি গলা ব্যাথায় খুবি অসস্তিতে থাকেন বা আপনার গলা ব্যাথা খুবি কঠিন মনে হয় তবে আপনি এ ঔষধটি গ্রহণ করতে পারবেন।

তবে আমার মতে আপনার এটি গ্রহণ করার আগে কোনো ভালো চিকিৎসককে দেখিয়ে নিলে ভালো হয়।

গলা ব্যাথার জন্য রোলাক

গলা ব্যাথার জন্য আপনি চাইলে রোলাক নামক ঔষধটি খেয়ে নিতে পারেন। আপনি আপনার নিকটস্থ যেকোনো ফার্মিসি থেকে রোলাক নামক গলা ব্যাথার ঔষধটি কিনে খেয়ে নিতে পারবেন।

তবে রোলাক খাওয়ার আগে ভালোকরে চিকিৎকের সাথে কথা বলে নিবেন। কারণ রোলাক অন্যসব গলা ব্যাথার ঔষধগুলো থেতে অনেকটাই ভিন্ন। আর এর প্রভাব একটু জটিল।

গলা ব্যাথার জন্য নাপা

পড়ুন ঘুমের ঔষধের নাম এবং ব্যবহার প্রণালি

গলা ব্যাথার ঔষধ

নাপা আসলে আমাদের খুবি পরিচিত একটি ঔষধ। আমরা বাঙ্গালিরা জ্বর হলে সচরাচর নাপা ছারা অন্য কোনো ঔষধেলর কথা কল্পনাও করি না।

নাপা যেমন জ্বরের জন্য কার্যকরি ঠিক তেমনি নাপা গলাব্যাথার জন্য কার্যকরি। আর তাছারা নাপার পাশ্বপ্রতিক্রিয়া তুলনামূলক ভাবে অনেক কম।

আর তাই আপনি নিসন্দেহে নাপা গ্রহণ করতে পারেন। তবে অধিক ঘন ঘন নাপা গ্রহণ খুবি ভয়ানপ প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। আর তাই পরিমিত মাত্রায় নাপা গ্রহণ করাটা ভালো হবে।

গলা ব্যাথার কারণ

পড়ুন কৃমির ঔষধের নাম, জানুন কোন কৃমি কি লক্ষণ

গলা ব্যাথা বিভিন্ন কারনে হয়ে থাকে তবে গলা ব্যাথা বেশির ভাগ সংক্রামনের কারণে হয়ে থাকে। গলা ব্যাথা ঠিক গলার কোন স্থানে হয়েছে তার উপর ভিত্তি করে গলা ব্যাথাকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে।

ফ্যারিনজাইটিস – মুখের ঠিক পিছনের অংশে এই ব্যাথঅ হয়।

টনসিলাইটিস – মুখে যে টনসিল রয়েছে সগুলোতে ইনফেকশন হলে সে কারনে যে ব্যাথা হয় তার নাম হলো টনসিলাইটিস।

ল্যারিনজাইটিস – আলজিহ্বাতে ইসফেকশন বা অন্য কোনে উপক্রম দেখা দিলে সে জন্য সে ব্যথা দেখা দেয় সেটা হলো ল্যারিনজাইটিস।

গলা ব্যাথার লক্ষণ গুলো হলো

  • হাচি
  • কাশি
  • ঠান্ডা
  • জ্বর
  • গলা ভাঙ্গা
  • ক্ষুদা কমে যাওয়া
  • শরীর ব্যাথা করা
  • মাথা ব্যাথা করা

সাধারণত ভাইরাসইনফেকশন ঘটলে সবচেয়ে বেশী গলা ব্যাথার সমস্যা দেখা দেয়। আর ভাইরাস ইনফেকশনের কারণে যে রুগ গুলো হয়ে থাকে সেগুলো হল:

  • হাম
  • চিকেন পক্স
  • মাম্পস
  • ইনফ্লুয়েন্জা (ফ্লু)
  • ঠান্ডা

চিকেনপক্স: এ ভাইরাস আক্রমনের ক্ষেত্রে চুলকানি হয়, চামরায় ফুস্কুরি দেখা দেয় এবং সাথে সবসময় সরিরে জ্বর জ্বর ভাব থাকে।
মাম্পস: মাম্পস এর ভাইরাস সংক্রামনের ফলে ঘারে লালা নিস্বরণ গন্থিগুলো ফুলে যায়।

গলা ব্যাথা ভালো করার ঘরোয়া পদ্বতি

ভাইরাস দ্বার ইনফেক্সন হলে গলা ব্যাথা ১ কি ২ সপ্তাহর ভিতরে আপনা আপনি সেরে যাবে। তবে ব্যাক্টেরিয়ার দ্বারা ইনফেক্সশ হলে এটির জন্য আপনাকে অবশ্যই অ্যন্টিভাইওটিক্স নিতে হবে। গলা ব্যাথা কমানোর জন্য:

  • প্রথমে গরম পানি করে নিন
  • এবার গরম পনিতে লবণ মিশিয়ে নারা চারা করে নিন
  • এবার এ পানি দিয়ে গরগর করুন

অথবা আপনি চাইলে গরম পানি বা গরম চা করে বা মধু ও গরম পানিতে লেবু মিশিয়ে পান করতে পারেন। এতে অনেকটাই উপশম হবে গলা ব্যাথার আর তাছারা গরম পানি করে গরমপানির ভাপ নিতে পারেন। এতে করে সর্দির উপরও ভালো প্রভাব পরে।

google health

Categories

Featured